
সৌমিত্র আর পুনশ্চঃ এই দুটো নাম প্যারালালি আমি অনুভব করি। সৌমিত্রের বাচন ভঙ্গি আর তার অভিনীত মুভি পুনশ্চঃ। পৃথিবীতে মুগ্ধ হওয়াই সবচেয়ে কঠিন কাজ বোধহয়। পুরো পুনশ্চঃ মুভিতে আমি দেখেছি বন্ধুত্ব, ভালবাসা, মুগ্ধতা! অনুভূতিতে স্লো পয়জন। একটা মানুষ পাশে থাকা দরকার এই ভাবনা আমি দেখেছি অক্টোবর মুভিতে। কোমায় থাকা মানুষটা চুপ করে শুয়ে আছে, কিন্তু গল্প করছে একজন ভীষণ গুরুত্ব নিয়ে।
পাশে থাকা কিঙবা মুগ্ধ করা দুটো ভিন্ন জিনিশ। শুধু মুগ্ধ হয়ে একটা মানুষকে দেখতে চাওয়ার আকুতি ও বোধহয় ভিন্ন জিনিশ। কারো সাথে অনবরত কথা বলে একটা চরিত্র দাঁড় করানো কঠিন কাজ। এই কঠিন কাজটাও অনেকে করে। মুগ্ধ হয়ে ঘর বাঁধতে চায়, সমুদ্রের পাশে হেঁটে জীবনবোধের গল্প করতে চায়, হারিয়ে ফেলার ভয়ে কুঁকড়ে যেতে চায়।
এইযে জীবনজুড়ে অনুভূতির কাটাকুটি খেলার সবচেয়ে সুন্দর বিষয় হচ্ছে সময় চলে যাচ্ছে। সময় মরীচিকা সেটা বুঝতে কিছুটা দেরি হবে। পাশ ফিরে কাউকে দেখতে পাওয়ার আনন্দ হচ্ছে রিযিক্ব। সকল রিযিক্ব সবাই পাবে এমনটা লিখে এনেছে এমনটা হয়না।
অন্বিতার সাথে গল্প করার রিযিক্ব,
সমুদ্র দেখার রিযিক্ব নিয়ে সন্দিহান আমি! কিন্তু অচেনা অন্বিতাকে হুট করে দেখার আনন্দের রিযিক্ব নিয়ে এসেছি কিনা সেটা কিভাবে জানা যায়!অবলীলায় ভালোবাসি বলার জন্য সমুদ্রের কোনপাশটাকে বেছে নেয়া যায়, অমবস্যার ঘোর অন্ধকারে, নাকি পূর্ণিমার ভরা চাঁদে, সেটার সুযোগ কি আছে? কঠিন তপ্ত পাথরের শহুরে জীবনে অন্বিতা কি বৃষ্টি নাকি খরা হবে?
আসুন ভালবাসি
ভালোবাসি পিকাসো, বুনুয়েল, দান্তে
বিট্ল্স্, ডিলান আর বেথোফেন শুনতে-