সম্পর্ক- জটিল, যুক্তবর্ণে ঘেরা শব্দ। তুমি কি বলো?
তুমি আছো এতোদূরে স্পর্শগন্ধহীন স্বপ্নেরাও সূক্ষ্ম অগোচরে

তোমার আর আমার দৃশ্যমান স্মৃতি বলতে যেটা আছে, সেটা হল এক খন্ড রেস্টুরেন্টের বিলের লাল কাগজ। যেখানে লিখা, পাঁচশত দশ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। আমাদের জীবনে কাকতালীয় বলে কোন ব্যাপার ঘটেনি, যা ঘটেছে সেটি হল কাকতালের বিভ্রম। আর আমরা পুরো সময় ছুটেছি এই বিভ্রমের পেছনে। তবে আমাদের জীবনে যে সাময়িক বিচ্ছেদ ঘটেছে সেটি বিভ্রম থাকেনি, সেটি রুপান্তরিত হয়েছে বাস্তবে। সেই বাস্তবে- যে বাস্তব বহুবছর আমাদের দেখা হওয়াকে নিয়ে গেছে অনেক সময় পেছনে। এমন এক কঠিন বাস্তবে-আমরা বোধহয় একে অন্যের চেহারা ভুলে যাচ্ছি। এমন বাস্তবে- শুধু শুভকামনা জানাতে জানাতে ক্লান্তি নিয়ে এসেছে জীবনে।
আমি চাই মোড়ের তিন রাস্তার মাথায় দেখা হোক আমাদের। তারপর এই শীতের কুয়াশায় একে অন্যেকে দেখে অসঙশয়িত হওয়ার চেষ্টা করব আমরা আসলে পরিচিত ছিলাম কিনা। আমরা চেষ্টা করব, পরিচয় থাকলেও শেষ কবে আমাদের কথা হয়েছে। কিঙবা কখনো নিজেদের কথা দিয়ে ছিলাম কিনা, আমাদের বিচ্ছেদের পর কখনো দেখা হলে এড়িয়ে যাব, কিঙবা কথা বন্ধ করে দেব চিরতরে? আমরা বড় হতে হতে নিজেদের পরিণত করার কথা দিয়েছিলাম। কথা কি থাকে সবসময় যেভাবে ভাবি? কথা কি চেষ্টা করে থাকার যেভাবে থাকতে চেয়েছি?
তুমি আছো এতোদূরে স্পর্শগন্ধহীন স্বপ্নেরাও সূক্ষ্ম অগোচরে
কেবল তোমারই দেখা পাই না এখন
জনারণ্যে এভেন্যুর উদ্দীপনাময় ভিড়ে
কোথাও তোমার দেখা নাই।